সুন্দরবনে অভিযান, দুটি নৌকা ও শিকারের ফাঁদ জব্দ

কয়রায় হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারি আটক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩০ বার পঠিত হয়েছে

Oplus_131072

খুলনার কয়রা উপজেলার শাকবাড়িয়া নদীতে পশ্চিম সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ স্টেশনের বনরক্ষীরা একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকার ও মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িত এক চোরা শিকারিকে আটক করেছে।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কয়রার ৪নং কয়রা সংলগ্ন নদীপথে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বনরক্ষীরা মহারাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দিদারুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে।

অভিযানে তার কাছ থেকে ৪৮ কেজি হরিণের মাংস, দুটি নৌকা, ১১৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত ফাঁদ ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।

কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিকে বন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।

বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, শিকারি চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে হরিণ শিকার ও মাছ আহরণে জড়িত ছিল। সম্প্রতি গোপন নজরদারি বাড়ানোয় তাদের কর্মকাণ্ড নজরে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযানের কারণে অবৈধ শিকার কমলেও এখনও কিছু অসাধু ব্যক্তি গোপনে শিকার করে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

সুন্দরবনে অভিযান, দুটি নৌকা ও শিকারের ফাঁদ জব্দ

কয়রায় হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারি আটক

প্রকাশ: ০৫:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

খুলনার কয়রা উপজেলার শাকবাড়িয়া নদীতে পশ্চিম সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ স্টেশনের বনরক্ষীরা একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকার ও মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িত এক চোরা শিকারিকে আটক করেছে।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কয়রার ৪নং কয়রা সংলগ্ন নদীপথে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বনরক্ষীরা মহারাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দিদারুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে।

অভিযানে তার কাছ থেকে ৪৮ কেজি হরিণের মাংস, দুটি নৌকা, ১১৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত ফাঁদ ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।

কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিকে বন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।

বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, শিকারি চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে হরিণ শিকার ও মাছ আহরণে জড়িত ছিল। সম্প্রতি গোপন নজরদারি বাড়ানোয় তাদের কর্মকাণ্ড নজরে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযানের কারণে অবৈধ শিকার কমলেও এখনও কিছু অসাধু ব্যক্তি গোপনে শিকার করে যাচ্ছে।