এ ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ঝুঁকি সম্পর্কে শিশুদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে বোঝাতে হবে, যাতে কোনো অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে তারা ভয় না পেয়ে নির্দ্বিধায় মা-বাবার কাছে সাহায্য চাইতে পারে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেলে তাড়াহুড়ো করে সব তথ্য বা প্রমাণ মুছে না ফেলে লিংক, স্ক্রিনশট ও মেসেজ সংরক্ষণ করে সঠিক জায়গায় অভিযোগ জানাতে হবে।
এসব ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ভূমিকা পালন করতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রযুক্তি ব্যবহারের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো শ্রেণিকক্ষে আলোচনা হওয়া দরকার। শিশুদের কেবল বইয়ের পাঠে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের অনলাইন সচেতনতা-বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়া সাইবার অপরাধীদের দমন করা প্রায় অসম্ভব। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতা, সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে অভ্যস্ততা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।
শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা কেবল একটি নির্দিষ্ট পক্ষের একক কাজ নয়, এটি সমগ্র সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযুক্ত ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।
দৈনিক টার্গেট 






















