সি চিন পিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার ও চীনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর যৌথ সমন্বয়ে নজিরবিহীন ও বহুমুখী নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। তিনি নয়াদিল্লির অভিজাত ‘তাজ প্যালেস’ হোটেলে অবস্থান করছেন। সফর উপলক্ষে হোটেলটির সব কক্ষ বুক করা হয়েছে এবং পুরো এলাকাটিকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
হোটেল প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশে কোনো ধরনের পারমাণবিক, তেজস্ক্রিয় কিংবা জৈব-রাসায়নিক হুমকি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য বিশেষ দল মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া হোটেলের নিচের ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন ও অন্যান্য অবকাঠামো পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।
১৫ হাজার পুলিশ ও ২০০ প্লাটুন আধাসামরিক বাহিনী
এদিকে ব্রিকস সম্মেলন কেন্দ্র ও বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তায় নয়াদিল্লি জুড়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন ১৫,০০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য এবং ২০০ প্লাটুনেরও বেশি আধাসামরিক বাহিনী।
ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শান্তিপথ পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তায় ৭০০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও পাঁচটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে তুঘলক রোড থানায় ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম থেকে একসঙ্গে ৫০০টি ক্যামেরার ফুটেজ সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত হয়েছে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের এবারের সম্মেলন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, সম্মেলন শুরুর ঠিক আগে আগে একটি যৌথ ঘোষণার খসড়ায় একমত প্রকাশ করেছেন ব্রিকস নেতারা। আজ শনিবার রয়টার্সকে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। বৈশ্বিক পরিসরে জোটটির প্রভাব বাড়ানোর
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর পর্যটন এলাকা থামেল থেকে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড ও ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থামেল এলাকার একাধিক হোটেল থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
দৈনিক টার্গেট 

























