নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১২০৪, নিখোঁজ ৪২১৬

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত হয়েছে

একই সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমান্ত সংলগ্ন তিব্বত অঞ্চলে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ নিয়ে গত ২৬ আগস্টের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৫ জনে এবং মোট নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৭ জন।

উচ্চ পার্বত্য এলাকায় হিমবাহ ধসে হঠাৎ নেমে আসা এই পাহাড়ি ঢল ও কাদার স্রোত সীমান্ত পেরিয়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালায়। এই বন্যায় উভয় দেশের সীমানা সংলগ্ন রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং একাধিক গ্রাম পুরোপুরি ধসে ও ভেসে যায়।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, পাহাড়ি নদীর সুড়ঙ্গ, হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে অনুসন্ধান কাজ এখনো চলছে। নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে দুই দেশের স্থানীয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে নেপাল-চীন সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এতে লেন্দে খোলা নদীতে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ পানি ও পাথর জমা হয়ে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বাঁধ ভেঙে যায়। এরপর সেই স্রোত নেমে আসে ভোতে কোশি বা ত্রিশূলী নদীতে।

নেপালের তিনটি জেলায় এই বন্যা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, জেলার প্রধান বাজারসংলগ্ন এলাকায় আঘাত হানার পর পানির স্রোতে মানুষ, গবাদিপশু, বাড়িঘর ও সরকারি অবকাঠামো মুহূর্তেই ভেসে যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে নেপালের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহারকারী এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন ড্রোন হামলা আরও বাড়ালে রুশ আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়তে পারে।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাদের অবকাশযাপনের কেন্দ্র হিসেবে যে পাতায়ায় যৌন পর্যটনের বিস্তার ঘটেছিল, থাইল্যান্ডের সেই সমুদ্রতীরবর্তী শহরেই এবার ভিড়তে যাচ্ছেন প্রায় ৫ হাজার মার্কিন নাবিক ও মেরিন সেনা।

নেপাল-চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ গিরং সীমান্ত ক্রসিংয়ে যাওয়ার সড়ক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংস হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে তা পুনর্নির্মাণ করেছে চীন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সড়কটির শেষ অংশও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি।

জনপ্রিয় টার্গেট

দিল্লিতে নজর কাড়ছে পুতিনের ‘ডুমসডে প্লেন’, কী আছে এই উড়োজাহাজে

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১২০৪, নিখোঁজ ৪২১৬

প্রকাশ: ১০:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একই সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমান্ত সংলগ্ন তিব্বত অঞ্চলে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ নিয়ে গত ২৬ আগস্টের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৫ জনে এবং মোট নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৭ জন।

উচ্চ পার্বত্য এলাকায় হিমবাহ ধসে হঠাৎ নেমে আসা এই পাহাড়ি ঢল ও কাদার স্রোত সীমান্ত পেরিয়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালায়। এই বন্যায় উভয় দেশের সীমানা সংলগ্ন রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং একাধিক গ্রাম পুরোপুরি ধসে ও ভেসে যায়।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, পাহাড়ি নদীর সুড়ঙ্গ, হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে অনুসন্ধান কাজ এখনো চলছে। নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে দুই দেশের স্থানীয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে নেপাল-চীন সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এতে লেন্দে খোলা নদীতে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ পানি ও পাথর জমা হয়ে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বাঁধ ভেঙে যায়। এরপর সেই স্রোত নেমে আসে ভোতে কোশি বা ত্রিশূলী নদীতে।

নেপালের তিনটি জেলায় এই বন্যা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, জেলার প্রধান বাজারসংলগ্ন এলাকায় আঘাত হানার পর পানির স্রোতে মানুষ, গবাদিপশু, বাড়িঘর ও সরকারি অবকাঠামো মুহূর্তেই ভেসে যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে নেপালের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহারকারী এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন ড্রোন হামলা আরও বাড়ালে রুশ আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়তে পারে।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাদের অবকাশযাপনের কেন্দ্র হিসেবে যে পাতায়ায় যৌন পর্যটনের বিস্তার ঘটেছিল, থাইল্যান্ডের সেই সমুদ্রতীরবর্তী শহরেই এবার ভিড়তে যাচ্ছেন প্রায় ৫ হাজার মার্কিন নাবিক ও মেরিন সেনা।

নেপাল-চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ গিরং সীমান্ত ক্রসিংয়ে যাওয়ার সড়ক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংস হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে তা পুনর্নির্মাণ করেছে চীন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সড়কটির শেষ অংশও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি।