উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত একটি সাশ্রয়ী স্মার্টফোন তৈরির জন্য মোট উৎপাদন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ মার্কিন ডলার। যন্ত্রাংশের আনুমানিক খরচের হিসাব:
ব্যাটারি ও কেসিং: ১৫ থেকে ১৬ ডলার
উৎপাদন খরচ ৫৫ ডলার হলেও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিটি ডিভাইসে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তুতকারকদের অনুরোধে কাঁচামাল আমদানি ও কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়ার ফলে ফোনগুলোর প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে রাখা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উদ্যোগটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশীয় উৎপাদক প্রতিনিধিরা চার সপ্তাহেরও বেশি সময় চীনে অবস্থান করে প্রযুক্তি ও সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন। সরকারও সংশ্লিষ্ট খাতে প্রয়োজনীয় বাজেট সহায়তা ও ঋণ সুবিধা অনুমোদন করেছে।
স্মার্টফোনের চূড়ান্ত মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে সরকার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন অপারেটর এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে একসঙ্গে সম্পৃক্ত করেছে।
তিনটি প্রধান মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রতিটি ফোনের সঙ্গে প্রথম তিন মাসের জন্য বিনা মূল্যে ডাটা ও ভয়েস প্যাকেজ যুক্ত করা হবে। ফলে প্রস্তুতকারকদের ভর্তুকি ও অপারেটরদের ডিজিটাল প্যাকেজের সমন্বয়ে একজন গ্রাহকের জন্য ফোনটির কার্যকর খরচ নেমে আসবে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায়।
পাশাপাশি, মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ইএমআই বা কিস্তি সুবিধার ওপর থাকা আগের বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে যেকোনো ব্যাংক গ্রাহকদের কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার আর্থিক সুবিধা দিতে পারবে।
পাঁচ কোটি সাধারণ গ্রাহককে সংযোগের আওতায় আনার পাশাপাশি চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের সার্ভিস অবলিগেশন ফান্ড (এসওএফ) ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
উপদেষ্টা জানান, দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী আনুমানিক ২ কোটি মানুষকে চিহ্নিত করে তাঁদের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছাতে এই তহবিল কাজে লাগানো হবে। বর্তমানে এসওএফ তহবিলে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা জমা রয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উদ্বেগ আর সতর্কতা বাড়ছেই। এবার অ্যানথ্রপিকের শীর্ষস্থানীয় গবেষক ইভান হুবিঙ্গার বললেন, এআই এত দ্রুত এগোচ্ছে যে, আগামী এক দশকের মধ্যে এটি সব মানুষকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিতে পারে এমন সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি। এআইয়ের লক্ষ্য ও মানুষের মূল্যবোধের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার…
ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এশিয়া-প্যাসিফিকের আট দেশে আক্রান্ত প্রতি ব্যবহারকারীর শনাক্ত মোবাইল হুমকি ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশে শনাক্ত মোবাইল হুমকি ১০৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৫৯টিতে পৌঁছেছে।
দৈনিক টার্গেট 
























