আজ মঙ্গলবার সকালে পৌর শহরের কালীবাড়ি, বটতলা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের আশপাশে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, সংঘর্ষের আগে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে পৃথক মিছিল বের হলে একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গলাচিপায় দলটির বর্তমান উপজেলা কমিটি এবং সাবেক নেতাদের অনুসারীরা পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করেন। কর্মসূচির স্থান ও আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ ছিল। সোমবার থেকেই এ নিয়ে উত্তেজনা চলছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরে উভয় পক্ষ পৃথক মিছিল বের করে। মিছিল দুটি পৌর শহরের কালীবাড়ি ও বটতলা এলাকায় পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছে।
এদিকে সংঘর্ষের সময় প্রেসক্লাব গলাচিপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের মালিকানাধীন হাবিব রেস্তোরাঁয় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রেস্তোরাঁর আসবাব ও বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন। তাঁদের ধারণা, এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অল্প কিছু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 

























