রাবিতে শিক্ষার্থীকে রাতভর মারধরের অভিযোগ, ছাত্রদলের দাবি— ‘শিবিরের স্পাই’

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:০০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত হয়েছে

অভিযোগে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আসিফ মিয়া অনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

তবে হল ছাত্রদলের দাবি, তিন মাস ধরে অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন আসিফ। প্রাধ্যক্ষ তাঁকে হল ত্যাগের নির্দেশনা দিলে তিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে হল ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। তাঁকে কোনো রকম হেনস্তা করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘পরে রাতে তাঁর (ফুয়াদ) কক্ষে গেলে একটি গ্রুপে যুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি আমার মোবাইল ফোন নেন। এরপর ফোনের বিভিন্ন বিষয় চেক করে আমাকে শিবির করার এবং “শিবিরের স্পাই” হিসেবে হলে আসার অভিযোগ করেন। আমি বিষয়টি অস্বীকার করে সিটের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ করি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে ধমক দেন এবং পরে ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী সেখানে আসেন। তাঁরা আমাকে টেনে গণরুমে নিয়ে যান এবং সেখানে আমাকে মারধর করা হয়।’

আসিফ আরও বলেন, ‘পরে আমার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ধারণ করা হয়। বিভিন্ন কথা বলিয়ে ভিডিও করা হয়। এমনকি আমাকে দিয়ে লিখিয়েও নেওয়া হয় যে, আমি নেতা হতে চাই। এভাবে আমার কাছ থেকে একটি স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি এখন খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, আমার বিভাগ ও শিক্ষকদের কাছে সহযোগিতা চাই। আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আমি যেন নিরাপদে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি।’

অভিযোগের বিষয়ে জোহা হল ছাত্রদল সভাপতি মেহেদী হাসান ফুয়াদ বলেন, ‘পাশাপাশি এলাকার হওয়ায় আসিফ আমাকে জানায় যে সে প্রায় তিন মাস ধরে অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে। সে যেই সিটে অবস্থান করছিল সেই সিটটি নতুন করে অন্য একজনকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। থাকার জায়গা না থাকায় কী করবে জানতে চাইলে আমি তাকে প্রভোস্ট স্যারের সঙ্গে কথা বলতে বলি।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেখানে রাফসান তাকে আমার সঙ্গে কথা বলার সময় রেকর্ড চালু রাখতে এবং প্রভোস্টের রুমে যাওয়ার আগে ও ভেতরে কথাবার্তা রেকর্ড করে তাদের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এমন তথ্যও আমি দেখতে পাই। হলের সেকশন অফিসারের রুমে গিয়েও নজরদারি করার বিষয়ে তার ফোনে তথ্য পাওয়া যায়।’

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ফুয়াদ বলেন, ‘তাকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি। আমি মনে করি, আসিফকে ব্যবহার করে ছাত্রদলকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিবির তাকে একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জোহা হলের মাধ্যমে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘ওই ছেলে যখন হল সভাপতির রুমে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে, তখন হল ছাত্রদলের সভাপতি আমাকে ফোন করে জানতে চান, এখন কী করা উচিত। আমি তাকে স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিই, কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে। পরবর্তীতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অপ্রীতিকর আচরণ ছাড়াই তাকে হল প্রশাসনের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

এদিকে এ ঘটনায় সকালে শিক্ষার্থীকে হয়রানি, হেনস্তা ও মারধরের প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় শিবিরের পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি জানানো হয়। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ, জড়িত ছাত্রদল নেতাদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

ঘটনার বিষয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আল আমিন সরকার বলেন, ‘রাতে আমি বিষয়টি জানতে পেরে হলে উপস্থিত হই। এ সময় আমি বাইরে তাদের সঙ্গে কথা না বলে আমার অফিসে সবাইকে নিয়ে বসি। এ সময় ওই শিক্ষার্থী মারধর করা হয়েছে এমন কিছু আমাকে জানায়নি। আমি জিজ্ঞেস করলে সে জানিয়েছে তার সঙ্গে এমন কিছু করা হয়নি।’

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ বলেন, ‘ফোনে যেহেতু ওই শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য আছে এবং অন্যরা ওর ফোনটি নেওয়ার চেষ্টা করছিল তাই আমি ফোনটি আমার অফিসে রেখে দিয়েছি। এর বাইরে কিছু নয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থী এবং প্রভোস্টের বক্তব্য শুনেছি। বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বক্তব্য আমরা শুনতে পারিনি।’

উপ-উপাচার্য বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য অবশ্যই তার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হবে। যেহেতু ঘটনাটি অনেক রাতে ঘটেছে, তাই আসলে কী ঘটেছে, কী ঘটেনি— তা নিশ্চিতভাবে জানতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা জরুরি। এরপর তদন্তের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ২৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে মশক নিধনের জন্য আনা ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। ফলে সেই ওষুধ ফেরত পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক।

মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের জাঙ্গালিয়া অংশে সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই ধস ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। সড়কের অন্তত চারটি স্থানে মাটি সরে যাওয়ায় যানবাহন ও পথচারী চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

প্রায় ছয় মাস পর চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডে আবার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি ও কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে মঙ্গলবার সকালে উৎপাদনে ফেরে সিইউএফএল। গত আড়াই বছরে গ্যাসসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটিতে অন্তত ছয় দফা বন্ধ হয়েছে কারখানাটি।

জনপ্রিয় টার্গেট

রাবিতে শিক্ষার্থীকে রাতভর মারধরের অভিযোগ, ছাত্রদলের দাবি— ‘শিবিরের স্পাই’

প্রকাশ: ০৫:০০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিযোগে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আসিফ মিয়া অনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

তবে হল ছাত্রদলের দাবি, তিন মাস ধরে অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন আসিফ। প্রাধ্যক্ষ তাঁকে হল ত্যাগের নির্দেশনা দিলে তিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে হল ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। তাঁকে কোনো রকম হেনস্তা করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘পরে রাতে তাঁর (ফুয়াদ) কক্ষে গেলে একটি গ্রুপে যুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি আমার মোবাইল ফোন নেন। এরপর ফোনের বিভিন্ন বিষয় চেক করে আমাকে শিবির করার এবং “শিবিরের স্পাই” হিসেবে হলে আসার অভিযোগ করেন। আমি বিষয়টি অস্বীকার করে সিটের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ করি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে ধমক দেন এবং পরে ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী সেখানে আসেন। তাঁরা আমাকে টেনে গণরুমে নিয়ে যান এবং সেখানে আমাকে মারধর করা হয়।’

আসিফ আরও বলেন, ‘পরে আমার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ধারণ করা হয়। বিভিন্ন কথা বলিয়ে ভিডিও করা হয়। এমনকি আমাকে দিয়ে লিখিয়েও নেওয়া হয় যে, আমি নেতা হতে চাই। এভাবে আমার কাছ থেকে একটি স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি এখন খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, আমার বিভাগ ও শিক্ষকদের কাছে সহযোগিতা চাই। আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আমি যেন নিরাপদে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি।’

অভিযোগের বিষয়ে জোহা হল ছাত্রদল সভাপতি মেহেদী হাসান ফুয়াদ বলেন, ‘পাশাপাশি এলাকার হওয়ায় আসিফ আমাকে জানায় যে সে প্রায় তিন মাস ধরে অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে। সে যেই সিটে অবস্থান করছিল সেই সিটটি নতুন করে অন্য একজনকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। থাকার জায়গা না থাকায় কী করবে জানতে চাইলে আমি তাকে প্রভোস্ট স্যারের সঙ্গে কথা বলতে বলি।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেখানে রাফসান তাকে আমার সঙ্গে কথা বলার সময় রেকর্ড চালু রাখতে এবং প্রভোস্টের রুমে যাওয়ার আগে ও ভেতরে কথাবার্তা রেকর্ড করে তাদের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এমন তথ্যও আমি দেখতে পাই। হলের সেকশন অফিসারের রুমে গিয়েও নজরদারি করার বিষয়ে তার ফোনে তথ্য পাওয়া যায়।’

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ফুয়াদ বলেন, ‘তাকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি। আমি মনে করি, আসিফকে ব্যবহার করে ছাত্রদলকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিবির তাকে একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জোহা হলের মাধ্যমে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘ওই ছেলে যখন হল সভাপতির রুমে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে, তখন হল ছাত্রদলের সভাপতি আমাকে ফোন করে জানতে চান, এখন কী করা উচিত। আমি তাকে স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিই, কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে। পরবর্তীতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অপ্রীতিকর আচরণ ছাড়াই তাকে হল প্রশাসনের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

এদিকে এ ঘটনায় সকালে শিক্ষার্থীকে হয়রানি, হেনস্তা ও মারধরের প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় শিবিরের পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি জানানো হয়। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ, জড়িত ছাত্রদল নেতাদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

ঘটনার বিষয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আল আমিন সরকার বলেন, ‘রাতে আমি বিষয়টি জানতে পেরে হলে উপস্থিত হই। এ সময় আমি বাইরে তাদের সঙ্গে কথা না বলে আমার অফিসে সবাইকে নিয়ে বসি। এ সময় ওই শিক্ষার্থী মারধর করা হয়েছে এমন কিছু আমাকে জানায়নি। আমি জিজ্ঞেস করলে সে জানিয়েছে তার সঙ্গে এমন কিছু করা হয়নি।’

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ বলেন, ‘ফোনে যেহেতু ওই শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য আছে এবং অন্যরা ওর ফোনটি নেওয়ার চেষ্টা করছিল তাই আমি ফোনটি আমার অফিসে রেখে দিয়েছি। এর বাইরে কিছু নয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থী এবং প্রভোস্টের বক্তব্য শুনেছি। বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বক্তব্য আমরা শুনতে পারিনি।’

উপ-উপাচার্য বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য অবশ্যই তার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হবে। যেহেতু ঘটনাটি অনেক রাতে ঘটেছে, তাই আসলে কী ঘটেছে, কী ঘটেনি— তা নিশ্চিতভাবে জানতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা জরুরি। এরপর তদন্তের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ২৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে মশক নিধনের জন্য আনা ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। ফলে সেই ওষুধ ফেরত পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক।

মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের জাঙ্গালিয়া অংশে সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই ধস ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। সড়কের অন্তত চারটি স্থানে মাটি সরে যাওয়ায় যানবাহন ও পথচারী চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

প্রায় ছয় মাস পর চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডে আবার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি ও কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে মঙ্গলবার সকালে উৎপাদনে ফেরে সিইউএফএল। গত আড়াই বছরে গ্যাসসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটিতে অন্তত ছয় দফা বন্ধ হয়েছে কারখানাটি।